প্রকাশ: ০৪:৪৩:০০ পিএম, ০৫ মে ২০১৮
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ২২,৫০০ ভবন নির্মাণ করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

বাংলার কন্ঠ প্রতিবেদক : শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, ২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত স্কুল কলেজ ও মাদরাসায় ১০ হাজার ৫০০ নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ২ হাজার ভবনের নির্মাণকাজ চলমান। আরো ২২ হাজার ৫০০ ভবন নির্মাণ করা হবে। এই ভবনগুলো ৪ থেকে ১০ ত

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রত্যেক নির্বাচনী এলাকায় ২০টি হাইস্কুল, ৬টি মাদরাসা এবং সবগুলো কলেজে ভবন নির্মাণ করা হবে। ২০টি স্কুলের মধ্যে ১০টিতে নতুন ভবন এবং ১০টিতে ভবনের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ করা হবে। ২০০ কলেজে মহিলা আবাসিক হোস্টেল নির্মাণ করা হবে। এজন্য প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রত্যেক উপজেলায় একটি করে টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ (টিএসসি) নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে ১০০টির নির্মাণকাজ চলছে।

এ বছরের মধ্যে এই ১০০টি টিএসসির নির্মাণ সম্পন্ন করতে ইইডির প্রকৌশলীদের নির্দেশ দেন শিক্ষামন্ত্রী।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের গুণগত পরিবর্তন হয়েছে। ভালো পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এ পরিবেশ ও সুনাম ধরে রাখতে হবে। সবার আগে কাজগুলো সুন্দরভাবে সমাপ্ত করতে হবে। এবারের এডিপি বাস্তবায়নে অবশিষ্ট সময় কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে কাজ যথাসময়ে সম্পন্ন করতে হবে। 

তিনি বলেন, কাজগুলো যাতে ভালো ও টেকসই হয়, সেদিকে সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে। মানের সাথে কোনো আপোশ করা যাবে না। উন্নত ও সুন্দর ডিজাইনের ভবন নির্মাণ করতে হবে, যাতে শিক্ষার্থীদের কাছে আকর্ষণীয় হয়।

শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, সরকার শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকৌশলীদের পদোন্নতিসহ এ অধিদপ্তরের উন্নয়নে বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহন করেছে। এ অধিদপ্তরে বর্তমানে ১ হাজার ৩২৭টি পদ রয়েছে। আরো ৩ হাজার ৬৭০টি নতুন পদ সৃষ্টির প্রক্রিয়া চলছে।

দক্ষতাসম্পন্ন নতুন প্রজন্ম গড়ে তোলার জন্য সবাইকে নিষ্ঠার সাথে কাজ করার আহ্বান জানান নুরুল ইসলাম নাহিদ।

তিনি বলেন, ঘুষ-দুর্নীতি অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। অপব্যবহার, অপচয়, ঘুষ-দুর্নীতি শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বিদায় করে দিতে হবে। ইইডি এর উজ্জ্বল উদাহরণ হবে।

ইইডির প্রধান প্রকৌশলী দেওয়ান মোহাম্মদ হানজালার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. মহিউদ্দীন খান, ইইডির অতিরিক্ত প্রধান প্রকোশলী মো. মজিবুর রহমান সরকার এবং ইইডির পরিচালক (প্রশাসন) খালেদা আক্তার।

বাংলার কন্ঠ/০৫ মে ২০১৮/এ এইচ